Tuesday, May 5, 2015

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতে চান রানী

‘অপরাহ্ উইনফ্রে যেমন টিভি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন তেমন কোনো অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চাই আমি। 

অপরাহ্ উইনফ্রে তার অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষদের নিয়ে আসেন। আমিও সে ধরনের অনুষ্ঠান করতে আগ্রহী— বলে জানালেন বলিউডের অভিনেত্রী রানী মুখার্জি। 

অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খান ও অক্ষয় কুমারের মতো বলিউডের অভিনেতারা ছোট পর্দার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে সফল হয়েছেন। 

এবার সে খাতায় নাম লেখাতে চান বাঙালি বংশোদ্ভূত বলিউডের এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি মার্কিন মুলুকের প্রখ্যাত টিভি ব্যক্তিত্ব অপরাহ্ উইনফ্রে সঞ্চালিত অপরাহ্ উইনফ্রে শোয়ের মতো টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রানী। 

রানীর কাছের বন্ধু ও সহ-অভিনেতা আমির খান ‘সত্যমেভ জয়তে’ টিভি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন।

 আমিরের পথ অনুসরণ করার ইচ্ছে আছে কি না জানতে চাইলে রানী বলেন, ‘আমি আশা করছি, আমার ক্ষেত্রেও যেন তেমনটা ঘটে।’ সম্প্রতি এক খবরে এমনটিই জানিয়েছে ইন্দো-এশিয়ান নিউজ।

মেয়ের মা হলেন সারিকা

মেয়ের মা হলেন মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা। গতকাল রাত সাড়ে ১০টায় নিজের ফেসবুক পেজে নবজাতকের দু’টি ছবি পোস্ট করে এ তথ্য জানান সারিকা নিজেই।

 তিনি আরও জানান, আজ দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে রাজধানীর অ্যপোলো হাসপাতালে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।


 নবজাতক এবং মা দু’জনেই ভাল আছে। কিন্তু মেয়ে যেহেতু সার্জারির মাধ্যমে হয়েছে তাই সারিকাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে।

 উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টে ব্যবসায়ী মাহিম করিমের সঙ্গে বিয়ে হয় সারিকার। মডেলিং আর অভিনয় দিয়ে খুব অল্প সময়ে সবার নজর কেড়ে নিয়েছিলেন সারিকা।


 প্রায় দু’বছর ধরে মিডিয়ায় অনুপস্থিত তিনি। সারিকা মডেলিং শুরু করেছিলেন ২০০৬ সালে। আর অভিনয় শুরু করেন ২০১০ সাল থেকে। 

কিন্তু হঠাৎ ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে তিনি নাটক ও মডেলিং থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। এরপর আর ক্যামেরার সামনে দাঁড়াননি সারিকা।

৯০তম টেস্টে ইতিহাসের হাতছানি

২০০০ সালে বাংলাদেশ দল ক্রিকেটের অভিজাত ফরমেট টেস্ট খেলা শুরু করে। এরই মধ্যে ৮৯টি টেস্ট ম্যাচ খেলা হয়েছে টাইগারদের।

 মাত্র ৭টি জয় আর ১২টি ড্র ও তিনটি মাত্র সিরিজ জয়ই প্রাপ্তি বলা চলে গত ১৫ বছরে। ওয়ানডেতে যতটা আলো ছড়িয়েছে, টেস্টে ঠিক তার বিপরীত চিত্র।

 ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের পর দ্বিতীয় জয়টি পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৪ বছর। ২০০৯-এ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়ই নয়, টেস্টে কোন দলকে প্রথম হোয়াইটওয়াশ করারও স্বাদ নেয়। 


২০১৩- ১৪ টানা চারটি টেস্ট জয় আসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। একমাত্র জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই দুইবার টেস্ট সিরিজ জয়ের রেকর্ড আছে টাইগারদের। 

এবার সুযোগ এসেছে চতুর্থ সিরিজ জয়ের। দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে চলছে ইতিহাস পরিবর্তনের মিশন। ১৬ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে জয়ই পায়নি, পরপর তিন ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশও করেছে। 

এরপর ৮ বছরে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয় তুলে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ড্রর স্বাদ নিয়েছে খুলনায় ১৪ বছর পর। 


এর আগে ৮টি টেস্টে কেবলই হার। সিরিজের শেষ ম্যাচ মিরপুর শেরে বাংলা মাঠে শুরু হবে কাল থেকে। ৯০তম টেস্ট ম্যাচ জিতে গেলে ‘সিরিজ জয়’! আর ড্র করলে ‘সিরিজ ড্র’! দুটি হবে নতুন ইতিহাস। সেই সঙ্গে শত সমালোচনার জবাবও।

 পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল প্রথম টেস্ট খেলে ৮টি। এর মধ্যে ২০০১ সালে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (বাংলাদেশ-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা) পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। হার দিয়েই শুরু। 

এরপর ২০০২-এ বাংলাদেশের মাটিতে প্রথম দ্বিপক্ষীয় ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান। ২টিতেই হারের মুখ দেখে। ঠিক তার পরের বছরই পাকিস্তানের মাটিতে ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলে বাংলাদেশ।



 যথারীতি হার দিয়েই সিরিজ শেষ হয়। কিন্তু মুলতানে সিরিজের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের অন্তর্আত্মা কাঁপিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ দল।

 টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ২৮১ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান ১৭৫ রানে গুটিয়ে গেলে ১০৬ রান এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নামে টাইহগাররা। তবে ১৫৫ রান তুলতেই শেষ হয় দ্বিতীয় ইনিংস। 

কিন্তু পাকিস্তানের সামনে টার্গেট থাকে ২৬১ রানের। আর সেই রান তুলতে গিয়ে অনেক নাটকীয়তার ম্যাচে মাত্র ১ উইকেটে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। 


২০১১ সালে দেশের মাটিতে আরও দুটি টেস্ট খেললেও এতদিন পর্যন্ত পাকিস্তানের বিপক্ষে মুলতানের সেই ম্যাচটিই ছিল টাইগারদের সেরা লড়াই। 


কিন্তু এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। সিরিজের প্রথম টেস্টে খুলনায় প্রথম ইনিংসে ২৯৬ রানের ঘাটতির পরও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দর্পের সঙ্গে টেস্ট ড্র করে বাংলাদেশ। 

তামিম ইকবাল দেশের মাটিতে প্রথম ডবল সেঞ্চুরির পাশাপাশি টানা তিন টেস্টে সেঞ্চুরি রেকর্ড গড়েন। সেই সঙ্গে ইমরুল কায়েসও সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ রাখেন ভিন্নভাবেই। 

শুধু তাই নয়, স্পিনার তাইজুল ইসলামও টানা তিন ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন। দেশের মাটিতে এমন জ্বলজ্বলে স্মৃতি এখন টাইগারদের এগিয়ে যাওয়ার বড় অনুপ্রেরণা।

বিশ্বের সেরা যৌনাবেদনময়ী মিচেল কিগ্যান!

বিশ্বের সেরা যৌনাবেদনময়ী নারী নির্বাচিত হয়েছেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ অভিনেত্রী মিচেল কিগ্যান। 

দশর্ককের ভোটে বিশ্বের সেরা ‘সেক্সিয়েস্ট’ নারীর খেতাব পান তিনি। বিশ্বসেরা লাস্যময়ী নারী নির্বাচনের তালিকায় ছিলেন কিম কার্দেশিয়ান, জেনিফার লরেন্সদের মতো নামীদামী আবেদনময়ী মডেল ও অভিনেত্রীরা।


 কিন্তু রূপের জৌলুসে সবাইকে পেছনে ফেলে জিতে নিলেন এই পুরস্কার। নাম লেখালেন 'ওয়ার্ল্ড সেক্সিয়েস্ট' নারীর খাতায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিনেত্রী-মডেলদের মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। 

তবে দর্শক আর পাঠকদের ভোট পেয়েই সেক্সিয়েস্ট নারীর খেতাব জিতেছেন মিচেল। উল্লেখ্য, 'করোনেশন স্ট্রিট' সিরিয়ালে মিচেল টিনার চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপিয়তা পান মিচেল। 

পরবর্তীতে একই নামের ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি। শরীর প্রদর্শনে উগ্র না থাকলেও আবেদনময়ী চলন বলনের জন্য হলিউডে তিনি বেশ জনপ্রিয়।

বিয়ে করেছেন অালিয়া ভাট!

বলিউড পাড়ায় জোর গুজব রটেছে বিয়ে করেছেন তারকা অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। 

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে বিয়ের সাঁজে আলিয়া ভাটকে একটি গাড়িতে দেখা যায়। এরপরই ঘটছে কান্ড!


 তবে ওই বর-বধূর দৃশ্য অাসলে একটি কোমল পানীয়র বিজ্ঞাপন চিত্র। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিজ্ঞাপনটি ছড়িয়ে পড়ে ইউটিউব থেকে ফেসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায়।

 বিজ্ঞাপনটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হওয়ার পরই খবর ছড়ায় তারা কি অগোচরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন?

 অবশ্য এমন গুজবেরও কিছুটা ভিত্তিও আছে। সেটা হলো, সিনেমায় এক সঙ্গে অভিনয়ের পর বাস্তবেও নাকি তারা চুটিয়ে প্রেম করছেন। 


দেখাও করছেন বিভিন্ন সময়। সে সূত্রেই অনেকে বলছেন বিয়েটাও হয়তো চুপসারেই সেরে ফেলেছেন এ দুই বলিউড তারকা।